শ্রেষ্ঠ বন্ধু… বই

বিশ্ব বই দিবস: ৩ মার্চ বই শব্দটি প্রাচীন ইংরেজী শব্দ”BOC”, যা ঘুরে জার্মানিক মূল শব্দে “* bōk-” থেকে আসে, যার মানে হল একজাতীয় “beech”-“বীচবৃক্ষসংক্রান্ত” । একইভাবে, স্লাভিক ভাষায় (উদাহরণস্বরূপ, রাশিয়ান, বুলগেরিয়ান, ম্যাসিডোনিয়ান)ভাষায় “আসে буква “(bukva-” letter”)” বীচবৃক্ষসংক্রান্ত সঙ্গে পরস্পর-সম্পর্কিত” রাশিয়ান এবং সার্বীয় এবং ম্যাসেডোনীয, শব্দ “букварь” (bukvar ‘) বা “буквар” (bukvar)যা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তককে বুঝায় যা ছেলেমেয়েদের পড়া এবং লেখার কৌশল অর্জনে তাদের সাহায্য করে। এটা এইভাবে অনুমান করা হয় যে নিকটতম ইন্দো-ইউরোপীয় লেখা বীচবৃক্ষসংক্রান্ত কাঠের উপর খোদাই করা হয়ে থাকতে পারে ।একইভাবে, ল্যাটিন শব্দ codex, আধুনিক অর্থে (পৃথক পাতার সঙ্গে বাঁধিয়া) একটি বই, যার অর্থ, মূলত বোঝানো হয় “block of wood”-“কাঠের ব্লক “। `Papyrus’-প্যাপিরাস, একটি পুরু কাগজের মত বয়ন প্যাপিরাস গাছের ডালপালা, তারপর একটা হাতুড়ির মত টুল দিয়ে নিষ্পেষণ তৈরি উপাদান, প্রাচীন মিশরে লেখা, হিসাবে প্রথম রাজবংশের হিসাবে ব্যবহার করা হয়, যদিও প্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় পঞ্চম রাজবংশের রাজা নেফারতিতি কাকাই (প্রায় ২৪০০ খ্রিস্টপূর্ব এর সময়) এর হিসাব বই থেকে। প্যাপিরাস শীট একসঙ্গে glued করা হয় একটি স্ক্রোল গঠন করার জন্য। এছাড়াও গাছের বাকল ও চুন এবং অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হত বই লেখার জন্য । এর পর থেকে সভ্যতার আবর্তনের সাথে সাথে সমগ্র বিশ্বজুড়ে বই ও লেখালেখির ব্যাপক বিস্তৃতি পরিলক্ষিত হয় ।তার পর বই ও প্রজ্ঞা নিয়ে অনেক দেশের কবি- সাহিত্যিক গণ নানা বই রচনা করে গিয়েছেন।এর মধ্যে আমরা পাই কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ থাকুর, ফ্রান্সিস বেকন, প্রমথ চৌধুরী, এরিস্টটোল, ডেকার্ড, প্লেটো, ফ্রস্ট, স্পেন্সার, চসার ও মারলো সহ আরও অনেক বিখ্যাত লেখক ।জ্ঞানের একমাত্র উৎস হল বই । জ্ঞানীরা বইকে ব্যবহার করে, সরল ব্যক্তিরা তার প্রসংসা করে এবং ধূর্তরা তার নিন্দা করে ।প্ররম করুনা ময় সৃষ্টিকর্তা কোরানের সৃষ্টির প্রাক্কালেই বাণী দেয়েছে, “পড় তোমার প্রভুর নামে….” সুতরাং বই হল মানবের একমাত্র বিশ্বস্ত বন্ধু যে সর্বদা তাকে পরিপূর্ণ ও শান্তির পথ দেখায় । তথ্য সূত্র: গুগল ও উইকিপেডিয়া-বিশ্বকোষ ।